বেশিরভাগ নারী জানেনই না, তারা কাবিননামায় কী সই করছেন!
বিয়ের জমকালো অনুষ্ঠানের মাঝে এই অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি অলক্ষ্যে থেকে যায়… একটি মাত্র বাক্য, কাবিননামার একটি মাত্র ঘর, একজন নারীর […]
বিয়ের জমকালো অনুষ্ঠানের মাঝে এই অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি অলক্ষ্যে থেকে যায়… একটি মাত্র বাক্য, কাবিননামার একটি মাত্র ঘর, একজন নারীর […]
আপনার জেদ বা ভুল পদক্ষেপ কি সন্তানের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দিচ্ছে? পারিবারিক আদালতে যখন সন্তানের হেফাজত বা জিম্মাদারী নিয়ে লড়াই
স্ত্রী স্বামীর অবাধ্য হলে বা বিনা কারণে আলাদা থাকলে, ভরণপোষণের অধিকার কি বাতিল হয়ে যায়? আমাদের দেশের হাজারো দম্পতির জন্য
প্রসঙ্গটা আচমকাই আমাকে থমকে দিয়েছেল। “আমার স্বামী তো বলছে, শুধু দ্বিতীয় কেন, আরও তিনটে বিয়ে করার অধিকার তার আছে। সেই
বিয়ের মাত্র ছয় মাসের মাথায় তন্বীর সাজানো সংসারটা ভেঙে গেল। ছোটবেলা থেকে দেখে আসছি শান্ত স্বভাবের অথচ হাসি-খুশিতে থাকা একটা
“স্যার, আমি ওকে ধরে রাখতে গিয়ে, নিজের জীবনটাকেই শেষ করে ফেলেছি। কথাগুলো বলছিলেন, মাহমুদা বেগম। তার দু’চোখ জুড়ে ক্লান্তি; তিনি
তিনি জানতেন না, অদৃশ্য ক্ষতগুলো আসলে মনের ভেতরে তৈরি হচ্ছিল প্রতিনিয়ত! তা শারীরিক আঘাতের চেয়েও কতটা মারাত্মক হতে পারে। তিনি
স্বামী মামলা করেছেন স্ত্রীকে জোর করে ঘরে ফেরাতে, কিন্তু আইন কি কাউকে ভালোবাসতে বাধ্য করতে পারে? নাকি আদালত পারেন? সম্প্রতি
পারিবারিক আদালতের করিডোরে একটি প্রশ্ন আমি প্রায়ই শুনি- “অল্প বয়সে বিচ্ছেদ হয়ে গেছে, জীবন বাকি পড়ে আছে অনেকটা। কিন্তু আবার
স্বামী তার স্ত্রীকে ফেরানোর জন্য ‘দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার’-এর মামলা করেছেন। স্ত্রীর অপরাধ কী? তিনি স্বামীর গালিগালাজ, নির্যাতন আর সন্দেহের অত্যাচারে